চাকরির পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান
বিসিএস, ব্যাংক, শিক্ষক নিয়োগ ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিগত পরীক্ষার নির্ভুল সমাধান ও প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক প্রশ্ন আর্কাইভ।
বিষয় ও অধ্যায় ভিত্তিক প্রশ্নব্যাংক
বিষয় ও নির্দিষ্ট অধ্যায় ভিত্তিক বিগত বিসিএস, ব্যাংক ও সরকারি নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান পড়ুন
কাজী নজরুল ইসলামের কোন উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র জাহাঙ্গীর- [৪৯তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা (জেনারেল পার্ট)]
কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক উপন্যাস হলো 'কুহেলিকা' (প্রকাশকাল ১৯৩১)। এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র হলো জাহাঙ্গীর, যিনি একজন বিপ্লবী চরিত্র। অন্যদিকে, 'বাঁধন-হারা' তাঁর প্রথম পত্রোপন্যাস এবং 'মৃত্যুক্ষুধা' দারিদ্র্যপীড়িত মানুষের জীবন নিয়ে রচিত উপন্যাস।
কোন্ ধ্বনি পরিবর্তনটি যথাযথ নয়? [৪৯তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা (জেনারেল পার্ট)]
'সংগীত > গীতিকা' ধ্বনি পরিবর্তনের যথাযথ নিয়ম নয়। সংগীত একটি ভিন্ন শব্দ এবং গীতিকা আরেকটি ভিন্ন শব্দ; এটি কোনো ধ্বনি পরিবর্তনের বা বিবর্তনের উদাহরণ নয়। অন্যদিকে, ক্রন্দন > কাঁদা (অপিনিহিতি/ব্যঞ্জনবিকার), অঞ্চল > আঁচল (নাসিক্যভবন), এবং দন্ত > দাঁত (অনুনাসিকরণ) সঠিক ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ।
'তিনি কথা শুনে ঘুমাতে পারলেন না' - বাক্যটির অস্তিবাচক রূপ কী হবে? [৪৯তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা (জেনারেল পার্ট)]
'তিনি কথা শুনে ঘুমাতে পারলেন না' বাক্যটির ভাবগত বা অস্তিবাচক রূপ হলো 'তিনি কথা শুনে জেগে রইলেন'। 'ঘুমাতে পারলেন না' অর্থাৎ তিনি সজাগ ছিলেন বা জেগে রইলেন।
'শিক্ষককে বুঝতে হবে শিক্ষার্থী কী চায়'- এই বাক্যে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর প্রয়োগ হয়েছে- [৪৯তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা (জেনারেল পার্ট)]
'শিক্ষককে বুঝতে হবে শিক্ষার্থী কী চায়'—এই বাক্যে 'শিক্ষক' ও 'শিক্ষার্থী' শব্দ দুটি এককভাবে নির্দিষ্ট কোনো একজন শিক্ষক বা শিক্ষার্থীকে না বুঝিয়ে জাতি বা শ্রেণিবাচক অর্থে একবচন ও বহুবচন উভয়ই (বা সার্বিক অর্থে সাধারণ শ্রেণি) প্রকাশ করেছে। অর্থাৎ, এখানে নির্দিষ্ট কোনো একজন শিক্ষক বা শিক্ষার্থীকে না বুঝিয়ে সমগ্র শিক্ষক ও শিক্ষার্থী সমাজকে বোঝানো হয়েছে, যা প্রসঙ্গভেদে উভয় বচনকেই নির্দেশ করে।
'এ কাজ করতে আমি বদ্ধ পরিকর'- এখানে 'পরিকর' শব্দের অর্থ কী? [মূল প্রশ্নে 'পরিবার' লেখা ছিল] [৪৯তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা (জেনারেল পার্ট)]
'বদ্ধ পরিকর' একটি বাগধারা, যার অর্থ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এখানে 'পরিকর' শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো কোমর (অর্থাৎ কোমর বেঁধে কাজ করার জন্য প্রস্তুত হওয়া)।
মধুসূদন দত্তের পূর্ববর্তী গুরুত্বপূর্ণ কবি কে? [৪৯তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা (জেনারেল পার্ট)]
মাইকেল মধুসূদন দত্তের পূর্ববর্তী ও আধুনিক বাংলা কবিতার সন্ধিকালের অন্যতম প্রধান কবি হলেন ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত। তাকে 'যুগসন্ধিক্ষণের কবি' বলা হয়। তিনি 'সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
আহমদ শরীফের মতে মধ্যযুগে চণ্ডীদাস নামে কতজন কবি ছিলেন? [৪৯তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা (জেনারেল পার্ট)]
আহমদ শরীফ ছিলেন একজন প্রখ্যাত সাহিত্য সমালোচক ও গবেষক। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে 'চণ্ডীদাস' নামে একাধিক কবির অস্তিত্ব নিয়ে দীর্ঘকাল ধরে বিতর্ক চলে আসছে, যা 'চণ্ডীদাস সমস্যা' নামে পরিচিত। আহমদ শরীফ তাঁর গবেষণায় এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, 'চণ্ডীদাস' নামে মোট তিনজন কবি ছিলেন।
তিনি এই তিনজনকে চিহ্নিত করেন:
- বড়ু চণ্ডীদাস: 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যের রচয়িতা।
- দীন চণ্ডীদাস: পদাবলীর রচয়িতা, যার পদে সহজিয়া মতবাদের প্রভাব দেখা যায়।
- দ্বিজ চণ্ডীদাস: পদাবলীর রচয়িতা, যার পদে 'দ্বিজ চণ্ডীদাস' ভণিতা পাওয়া যায়।
বিভিন্ন চণ্ডীদাসের রচনার ভাষা, ভাব ও শৈলীর ভিন্নতা বিশ্লেষণ করে আহমদ শরীফ এই তিনজনের স্বতন্ত্র অস্তিত্ব প্রমাণ করেন। তাই সঠিক উত্তর হলো 'খ' অর্থাৎ ৩ জন।
'পরিবার থেকেই শিক্ষার শুরু'-এখানে 'থেকে' শব্দের সাথে যুক্ত 'ই'-এর ব্যাকরণিক পরিচয় কী? [৪৯তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা (জেনারেল পার্ট)]
বাক্যে জোর বা নির্দিষ্টতা বোঝাতে শব্দের সাথে যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত হয়, তাকে বলক (Emphatic Marker) বা পদসংকট বলা হয়। এখানে 'থেকে' অনুসর্গের সাথে 'ই' যুক্ত হয়ে জোর বা বিশেষ গুরুত্ব প্রকাশ করেছে। তাই 'ই'-এর ব্যাকরণিক পরিচয় হলো 'বলক'।
কোন্ গুচ্ছের সবগুলো বানানই শুদ্ধ? [৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা]
গুচ্ছ 'ঘ'-এর সবগুলো বানান শুদ্ধ: একত্রিত, স্থায়িত্ব, অর্ধাঙ্গিনী।
কোনটি সঠিক বানান? [৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা]
সঠিক বানানটি হলো Gazette।
কোন্ বানানটি শুদ্ধ? [৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা]
কথোপকথন বানানটি শুদ্ধ। এখানে 'কথোপকথন' শব্দে 'ও' এবং 'ও' দুটিই ব্যবহৃত হয়েছে। অন্য বানানগুলো হলো:
- নিশিথিনি (শুদ্ধ: নিশীথিনী)
- পিপিলিকা (শুদ্ধ: পিপীলিকা)
- সমিচিন (শুদ্ধ: সমীচীন)
পুঁথি সাহিত্যে প্রাচীনতম লেখক কে? [৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা]
পুঁথি সাহিত্যের প্রাচীনতম লেখক হিসেবে পরিচিত ফকির গরীবুল্লাহ।