চাকরির পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান

বিসিএস, ব্যাংক, শিক্ষক নিয়োগ ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিগত পরীক্ষার নির্ভুল সমাধান ও প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক প্রশ্ন আর্কাইভ।

বিষয় ও অধ্যায় ভিত্তিক প্রশ্নব্যাংক

বিষয় ও নির্দিষ্ট অধ্যায় ভিত্তিক বিগত বিসিএস, ব্যাংক ও সরকারি নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান পড়ুন

বিষয় নির্বাচন করুন:
'বাংলাদেশ বিষয়াবলী' এর অধ্যায় বা পরিচ্ছেদ:
বাংলাদেশ বিষয়াবলী বাংলাদেশের অর্থনীতি এর প্রশ্নসমূহ মোট 17 টি
ফিল্টার রিসেট
1 বাংলাদেশ বিষয়াবলী বাংলাদেশের অর্থনীতি

বাংলাদেশ সরকার কোন খাত থেকে সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় করে? [জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় (ব্যক্তিগত কর্মকর্তা)]

আয়কর
ভূমিকর
আমদানী রপ্তানী শুল্ক
মূল্য সংযোজন কর
2 বাংলাদেশ বিষয়াবলী বাংলাদেশের অর্থনীতি

বাংলাদেশের কোনটি ব্যাংক নোট নয়? [জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় (ব্যক্তিগত কর্মকর্তা)]

১০ টাকা
২ টাকা
৫০ টাকা
১০০ টাকা
3 বাংলাদেশ বিষয়াবলী বাংলাদেশের অর্থনীতি

What is the maximum limit of tax free personal income for female tax payer in Bangladesh? [পেট্রোবাংলা - সহকারী ব্যবস্থাপক (জেনারেল)]

Tk. 220000
Tk. 250000
Tk. 300000
Tk. 400000
4 বাংলাদেশ বিষয়াবলী বাংলাদেশের অর্থনীতি

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন অংশীদার কোন দেশ? [বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন (মেডিক্যাল অফিসার)]

ভারত
চীন
জাপান
আমেরিকা
5 বাংলাদেশ বিষয়াবলী বাংলাদেশের অর্থনীতি

অর্থবছরে জুলাই করমুক্ত আয়-সীমা কত? [বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন (মেডিক্যাল অফিসার)]

৫,২৫,০০०/-
৩,৫০,০০০/-
৪,৫০,০০০/-
৬,২৫,০০০/-
6 বাংলাদেশ বিষয়াবলী বাংলাদেশের অর্থনীতি

পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা করে কোন সংস্থা? [বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন (মেডিক্যাল অফিসার)]

অর্থ বিভাগ
পরিকল্পনা কমিশন
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
7 বাংলাদেশ বিষয়াবলী বাংলাদেশের অর্থনীতি

বাংলাদেশে ভ্যাট চালু হয় কত সালে? [মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ (কম্পিউটার অপারেটর)]

১৯৯১
২০০১
২০১১
২০২১
ব্যাখ্যা:

বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট (VAT) চালু হয় ১৯৯১ সালের ১ জুলাই তৎকালীন অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমানের সময়।

💡 মনে রাখার টেকনিক: নব্বইয়ের দশকের শুরুতে (১৯৯১) দেশে ভ্যাটের সূচনা হয়।
8 বাংলাদেশ বিষয়াবলী বাংলাদেশের অর্থনীতি

বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের (জিডিপি-র) কত শতাংশ কৃষি থেকে আসে? [৪৮তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা (জেনারেল পার্ট)]

১২.৪০%
১২.৮৯%
১৩.০২%
১৩.৩৫%
ব্যাখ্যা:

সঠিক উত্তর ঘ (১৩.৩৫%)। সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুযায়ী বাংলাদেশের জিডিপি-তে কৃষ খাতের অবদান প্রায় ১৩.৩৫%। অর্থনীতির পরিভাষায় কৃষির অবদান দিন দিন পরিবর্তিত হলেও এটি দেশের গ্রামীণ অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানের প্রধান ভিত্তি।

9 বাংলাদেশ বিষয়াবলী বাংলাদেশের অর্থনীতি

বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎস কোনটি? [৪৮তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা (জেনারেল পার্ট)]

আবগারি শুল্ক
মূল্য সংযোজন কর
জরিমানা ও শাস্তিমূলক ফি
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা:

সঠিক উত্তর ঘ (উপরের সবগুলো)। বাংলাদেশ সরকারের আয়ের প্রধান উৎসগুলোর মধ্যে কর রাজস্ব (যেমন- ভ্যাট বা মূল্য সংযোজন কর, আয়কর, আবগারি শুল্ক ইত্যাদি) এবং কর-বহির্ভূত রাজস্ব (যেমন- জরিমানা, ফি, টোল ইত্যাদি) উভয়ই অন্তর্ভুক্ত।

10 বাংলাদেশ বিষয়াবলী বাংলাদেশের অর্থনীতি

বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি)-এর জন্য অর্থনীতিকে মোট কতটি প্রধান খাতে বিভক্ত করা হয়? [৪৮তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা (জেনারেল পার্ট)]

০৫টি
১০টি
১৫টি
২০টি
ব্যাখ্যা:

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) কর্তৃক জিডিপির হিসাবের সুবিধার্থে দেশের অর্থনীতিকে মোট ১৫টি প্রধান খাতে বিভক্ত করা হয়েছে। কৃষি, শিল্প এবং সেবা খাতের অধীনে এই ১৫টি উপখাত বা খাত বিন্যস্ত থাকে।

💡 মনে রাখার টেকনিক: ১৫টি খাতের মাধ্যমে জাতীয় আয়ের বা জিডিপির হিসাব নিরূপণ করা হয়।
11 বাংলাদেশ বিষয়াবলী বাংলাদেশের অর্থনীতি

বাংলাদেশের উন্নয়ন ধারার সবচেয়ে বড় কাঠামোগত বৈপরীত্য কোনটি? [৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা]

জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্থবিরতা সত্ত্বেও জিডিপির দ্রুত প্রবৃদ্ধি
শক্তিশালী সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচকের পাশাপাশি দুর্বল প্রাতিষ্ঠানিক শাসনব্যবস্থা
রেমিট্যান্স বৃদ্ধি কিন্তু শ্রম অভিবাসন হ্রাস
রপ্তানি বৃদ্ধি কিন্তু শিল্পায়ন কমে যাওয়া
ব্যাখ্যা:

বাংলাদেশের উন্নয়ন ধারার সবচেয়ে বড় কাঠামোগত বৈপরীত্য হলো শক্তিশালী সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচকের পাশাপাশি দুর্বল প্রাতিষ্ঠানিক শাসনব্যবস্থা। একদিকে জিডিপি প্রবৃদ্ধি, রপ্তানি আয় বৃদ্ধি পেলেও অন্যদিকে সুশাসন, আইনের শাসন ও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা উন্নয়নের গতিকে বাধাগ্রস্ত করছে।

12 বাংলাদেশ বিষয়াবলী বাংলাদেশের অর্থনীতি

ডলারের বিপরীতে টাকার অবমুল্যায়নের অন্যতম প্রভাব কি? [৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা]

বিদেশে বিনিয়োগে উৎসাহ প্রদান
তারল্য সংকট কাটিয়ে উঠা
খেলাপী ঋণের পরিমান কমিয়ে আনা
রপ্তানী বাড়ানো
ব্যাখ্যা:

ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন হলে বিদেশী ক্রেতাদের জন্য বাংলাদেশের পণ্য সস্তা হয়ে যায়। এর ফলে রপ্তানি বৃদ্ধি পায়, কারণ তারা কম ডলারে বেশি টাকার পণ্য কিনতে পারে। অন্যদিকে, আমদানি ব্যয়বহুল হয়ে যায়, কারণ একই পরিমাণ পণ্য কিনতে বেশি টাকা খরচ হয়।

💡 মনে রাখার টেকনিক: 'অবমূল্যায়ন' মানে 'সস্তা' হওয়া। দেশীয় পণ্য সস্তা হলে 'রপ্তানি' বাড়ে।