সুপার রিভিশন: সর্বাধিক রিপিট প্রশ্ন ভাণ্ডার
বিসিএস, প্রাইমারি, শিক্ষক নিবন্ধন, ব্যাংক ও মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পরীক্ষায় বারবার আসা প্রশ্ন এবং অনুরূপ প্রশ্নের বিষয়ভিত্তিক সংকলন।
💡 রিভিশন টিপস ও গাইডলাইন টিপস পড়ুন
💡 বিস্তারিত ব্যাখ্যা ও শর্টকাট নোট ▼
চিত্রের প্রশ্নটি একটি নির্দিষ্ট অনুপাত বা সরলীকরণের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো $\frac{3}{2}$।
💡 বিস্তারিত ব্যাখ্যা ও শর্টকাট নোট ▼
সঠিক উত্তর ক (বাংলাদেশের সংবিধান)। ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত সংবিধানের আনুষ্ঠানিক নাম হলো "বাংলাদেশের সংবিধান"।
💡 বিস্তারিত ব্যাখ্যা ও শর্টকাট নোট ▼
বাক্যের শুরুতে Subject হিসেবে Infinitive (To + verb) অথবা Gerund (verb + ing) ব্যবহৃত হতে পারে। অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক ও মানসম্মত গঠন হলো 'To help'।
💡 বিস্তারিত ব্যাখ্যা ও শর্টকাট নোট ▼
উদ্ধৃত লাইনটি জোনাথান সুইফটের বিখ্যাত রাজনৈতিক ব্যঙ্গাত্মক উপন্যাস "Gulliver's Travels" থেকে নেওয়া হয়েছে, যেখানে ইয়াহু (Yahoos) জাতির প্রসঙ্গে মানুষের ক্ষুদ্রতা ও পশুতুল্য স্বভাবকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
💡 বিস্তারিত ব্যাখ্যা ও শর্টকাট নোট ▼
সাধারণত শব্দের শেষে '-ly' থাকলে তা Adverb হয়, কিন্তু Noun + ly যুক্ত হলে তা Adjective হয়। এখানে 'leisure' (Noun) + 'ly' মিলে leisurely গঠিত হয়েছে, যা 'stroll' নাউনকে মডিফাই করায় এটি Adjective।
💡 বিস্তারিত ব্যাখ্যা ও শর্টকাট নোট ▼
চর্যাপদের খণ্ডিত পদগুলো তিব্বতি অনুবাদ থেকে প্রাচীন বাংলায় রূপান্তর বা আবিষ্কার করেন সুকুমার সেন। তিনি ১৯৩৮ সালে তিব্বতীয় অনুবাদ থেকে চর্যাপদের কিছু অংশ বাংলায় প্রকাশ করেন। অন্যদিকে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবার থেকে চর্যাপদের মূল পুথি আবিষ্কার করেন (১৯০৭)।
💡 বিস্তারিত ব্যাখ্যা ও শর্টকাট নোট ▼
ধ্বনি ও বর্ণের মধ্যে মূল পার্থক্য হলো ইন্দ্রিয় গ্রাহ্যে। ধ্বনি হলো যা কান দিয়ে শোনা যায় (শ্রবণগ্রাহ্য) এবং বর্ণ হলো যা চোখ দিয়ে দেখা যায় (দর্শনগ্রাহ্য বা রূপ)। অর্থাৎ ধ্বনি উচ্চারিত ও শ্রাব্য, আর বর্ণ লিখিত ও দৃশ্যমান।
💡 বিস্তারিত ব্যাখ্যা ও শর্টকাট নোট ▼
পরিভাষিক শব্দ বলতে এমন শব্দকে বোঝায় যা কোনো বিশেষ জ্ঞানশালায়, বিজ্ঞানে বা শাস্ত্রে সুনির্দিষ্ট ও নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশের জন্য ব্যবহৃত হয়। অর্থাৎ, পরিভাষিক শব্দ হলো বিষয়গত সুনির্দিষ্ট অর্থবোধক শব্দ।
💡 বিস্তারিত ব্যাখ্যা ও শর্টকাট নোট ▼
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা বানানে ও উচ্চারণে ভিন্নতা আনার জন্য এবং শব্দের শুরুতে 'এ' বর্ণটির নিজস্ব স্বাভাবিক উচ্চারণ (যেমন: এক, এখन) ও বিবৃত 'অ্যা' (যেমন: ব্যাধি, গ্যাস) উচ্চারণ স্পষ্ট করার জন্য শব্দের শুরুতে মাত্রাযুক্ত এ-কার ব্যবহার করতেন। মূলত বাংলা বর্ণমালায় 'এ' মাত্রাহীন বর্ণ হওয়ায় শব্দের শুরুতে বিভ্রান্তি দূর করতে তিনি এই প্রবর্তন করেছিলেন।
💡 বিস্তারিত ব্যাখ্যা ও শর্টকাট নোট ▼
আহমদ শরীফ ছিলেন একজন প্রখ্যাত সাহিত্য সমালোচক ও গবেষক। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে 'চণ্ডীদাস' নামে একাধিক কবির অস্তিত্ব নিয়ে দীর্ঘকাল ধরে বিতর্ক চলে আসছে, যা 'চণ্ডীদাস সমস্যা' নামে পরিচিত। আহমদ শরীফ তাঁর গবেষণায় এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, 'চণ্ডীদাস' নামে মোট তিনজন কবি ছিলেন।
তিনি এই তিনজনকে চিহ্নিত করেন:
- বড়ু চণ্ডীদাস: 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যের রচয়িতা।
- দীন চণ্ডীদাস: পদাবলীর রচয়িতা, যার পদে সহজিয়া মতবাদের প্রভাব দেখা যায়।
- দ্বিজ চণ্ডীদাস: পদাবলীর রচয়িতা, যার পদে 'দ্বিজ চণ্ডীদাস' ভণিতা পাওয়া যায়।
বিভিন্ন চণ্ডীদাসের রচনার ভাষা, ভাব ও শৈলীর ভিন্নতা বিশ্লেষণ করে আহমদ শরীফ এই তিনজনের স্বতন্ত্র অস্তিত্ব প্রমাণ করেন। তাই সঠিক উত্তর হলো 'খ' অর্থাৎ ৩ জন।
💡 বিস্তারিত ব্যাখ্যা ও শর্টকাট নোট ▼
বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান উৎস হলো তৈরি পোশাক রপ্তানী। এটি দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের বৃহত্তম খাত এবং লক্ষ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থানের প্রধান উৎস।
💡 বিস্তারিত ব্যাখ্যা ও শর্টকাট নোট ▼
GPS (Global Positioning System) একটি স্যাটেলাইট-ভিত্তিক নেভিগেশন সিস্টেম। স্মার্টফোনে GPS ব্যবহার করার জন্য স্যাটেলাইট থেকে আসা সিগনাল গ্রহণ করা অপরিহার্য। এই সিগনালগুলো ব্যবহার করে ফোন তার অবস্থান নির্ণয় করে।
💡 বিস্তারিত ব্যাখ্যা ও শর্টকাট নোট ▼
প্রদত্ত সমীকরণ: $x + \frac{১}{x} = 0$
আমরা জানি, $$\left(\sqrt{x} + \frac{১}{\sqrt{x}}\right)^২ = (\sqrt{x})^২ + ২(\sqrt{x})\left(\frac{১}{\sqrt{x}}\right) + \left(\frac{১}{\sqrt{x}}\right)^২$$
$$= x + ২ + \frac{১}{x} = \left(x + \frac{১}{x}\right) + ২$$
যেহেতু $x + \frac{১}{x} = 0$, তাই: $$\left(\sqrt{x} + \frac{১}{\sqrt{x}}\right)^২ = 0 + ২ = ২$$
উভয়পক্ষে বর্গমূল করে পাই: $$\sqrt{x} + \frac{১}{\sqrt{x}} = \mathbf{\pm\sqrt{২}}$$ (ধনাত্মক মান বিবেচনা করলে $\mathbf{\sqrt{২}}$)।
💡 বিস্তারিত ব্যাখ্যা ও শর্টকাট নোট ▼
Crepuscular শব্দটি গোধূলি বা ঊষাকালীন আলোয় সক্রিয় প্রাণীদের বোঝায়। এর সমার্থক শব্দ হলো twilit, যা গোধূলি বা সন্ধ্যার আবছা আলো নির্দেশ করে। Nocturnal (রাত্রিকালীন), diurnal (দিবালীন) এবং cathemeral (দিনরাত যেকোনো সময় সক্রিয়) এর থেকে ভিন্ন অর্থ বহন করে।
💡 বিস্তারিত ব্যাখ্যা ও শর্টকাট নোট ▼
বিমান রাখার জন্য ব্যবহৃত বড় ভবনকে hangar বলা হয়। 'Terminal' হলো বিমানবন্দর যেখানে যাত্রী ওঠানামা করে। 'Aerodrome' একটি সাধারণ শব্দ যা বিমানবন্দর বোঝায়। 'Hanger' (হ্যাংগার) সাধারণত কাপড় ঝোলানোর হ্যাংগার বোঝায়।