সুপার রিভিশন: সর্বাধিক রিপিট প্রশ্ন ভাণ্ডার
বিসিএস, প্রাইমারি, শিক্ষক নিবন্ধন, ব্যাংক ও মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পরীক্ষায় বারবার আসা প্রশ্ন এবং অনুরূপ প্রশ্নের বিষয়ভিত্তিক সংকলন।
💡 রিভিশন টিপস ও গাইডলাইন টিপস পড়ুন
ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক উপাদান ৫টি:
১. উৎস বা প্রেরক (Sender/Source)
২. বার্তা বা ডেটা (Message)
৩. মাধ্যম বা চ্যানেল (Medium/Channel)
৪. প্রাপক বা গ্রাহক (Receiver)
৫. প্রোটোকল (Protocol)
ন্যানো প্রযুক্তি (Nanotechnology): পারমাণবিক বা আণবিক স্কেলে ($1$ থেকে $100$ ন্যানোমিটার আকৃতিতে) পদার্থকে নিপুণভাবে পরিবর্তন ও নিয়ন্ত্রণ করার প্রযুক্তিকে ন্যানো প্রযুক্তি বলে। প্রয়োগ: কম্পিউটারের প্রসেসর ও মেমোরি চিপ তৈরি, ক্যান্সার কোষে টার্গেটেড ড্রাগ ডেলিভারি, সানস্ক্রিন এবং হালকা ও মজবুত মহাকাশযান নির্মাণ।
প্রয়োজনীয়তা: দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি, ক্ষয়পূরণ, কর্মশক্তি উৎপাদন এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য নিয়মিত সুষম খাদ্য গ্রহণ অপরিহার্য। সুষম খাদ্যের অভাবে দেহে অপুষ্টিজনিত রোগ (যেমন: রিকেটস, রাতকানা, কোয়াশিয়রকর, রক্তস্বল্পতা) দেখা দেয় এবং মানুষ কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলে।
ট্রান্সশিপমেন্ট (Transshipment): একটি দেশের পণ্য যখন অপর কোনো দেশের সীমান্ত বা বন্দরে এসে প্রথম দেশের যানবাহন থেকে খালাস করে দ্বিতীয় দেশের নিজস্ব যানবাহনে (ট্রাক, ট্রেন বা জাহাজ) তুলে গন্তব্যে পৌঁছানো হয়, তখন তাকে ট্রান্সশিপমেন্ট বলে। এতে স্বাগতিক দেশের পরিবহন খাত ও শ্রমিকরা সরাসরি অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হয় এবং জাতীয় নিরাপত্তার ঝুঁকি কম থাকে। যেমন: ভারতীয় জাহাজ চট্টগ্রাম বা মোংলা বন্দরে পণ্য খালাস করার পর তা বাংলাদেশের নিজস্ব ট্রাক বা রেলের মাধ্যমে আখাউড়া হয়ে ভারতের ত্রিপুরায় পরিবহন করা হলো ট্রান্সশিপমেন্ট।
মানব নিরাপত্তার প্রধান ৭টি উপাদান:
১. অর্থনৈতিক নিরাপত্তা (Economic Security): প্রত্যেক নাগরিকের মৌলিক আয়ের নিশ্চয়তা এবং দারিদ্র্য ও বেকারত্ব থেকে মুক্তি।
২. খাদ্য নিরাপত্তা (Food Security): সকল মানুষের জন্য সবসময় নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্যের লভ্যতা ও ক্রয়ক্ষমতা থাকা।
৩. স্বাস্থ্য নিরাপত্তা (Health Security): সংক্রামক ও অসংক্রামক ব্যাধি থেকে সুরক্ষা এবং সুলভে মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পাওয়ার অধিকার।
৪. পরিবেশগত নিরাপত্তা (Environmental Security): জলবায়ু পরিবর্তন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বায়ু ও পানি দূষণ থেকে মানুষের আবাসস্থল ও প্রকৃতিকে রক্ষা করা।
৫. ব্যক্তিগত নিরাপত্তা (Personal Security): সহিংসতা, অপরাধ, সন্ত্রাসবাদ, পারিবারিক নির্যাতন এবং শারীরিক নিপীড়ন থেকে ব্যক্তির সুরক্ষা।
৬. সম্প্রদায়গত নিরাপত্তা (Community Security): জাতিগত, ধর্মীয় বা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নিজস্ব সংস্কৃতি ও পরিচয়ের সুরক্ষা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি।
৭. রাজনৈতিক নিরাপত্তা (Political Security): রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন থেকে মুক্তি, মৌলিক মানবাধিকার ও ভোটাধিকার সংরক্ষণ।
আরব বসন্তের মূল কারণসমূহ:
১. দীর্ঘস্থায়ী স্বৈরশাসন ও একনায়কতন্ত্র: দশকের পর দশক ধরে জয়নাল আবেদিন বেন আলী (তিউনিসিয়া), হোসনি মোবারক (মিশর) ও মুয়াম্মার গাদ্দাফির (লিবিয়া) মতো শাসকদের একচ্ছত্র দমন-পীড়ন ও গণতন্ত্রহীনতা।
২. চরম দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি: রাষ্ট্রীয় সম্পদ শাসকগোষ্ঠীর কুক্ষিগত হওয়া এবং প্রশাসনের সর্বস্তরে লাগামহীন দুর্নীতি।
৩. বেকারত্ব ও অর্থনৈতিক সংকট: শিক্ষিত যুবসমাজের মধ্যে তীব্র বেকারত্ব, মুদ্রাস্ফীতি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যের মূল্যবৃদ্ধি।
৪. মানবাধিকার লঙ্ঘন ও বাকস্বাধীনতা হরণ: জরুরি আইন জারি রেখে নাগরিক অধিকার ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব করা।
৫. সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভূমিকা: ফেসবুক, টুইটার ও ইউটিউবের মাধ্যমে তরুণ সমাজ দ্রুত সংগঠিত হতে এবং বিশ্ববাসীর কাছে সরকারি নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছিল।
বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য শক্তির সম্ভাবনা:
১. সৌরশক্তি (Solar Energy): ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশে বছরজুড়ে প্রচুর সূর্যালোক পাওয়া যায়। সোলার হোম সিস্টেম (SHS), সোলার ইরিগেশন পাম্প এবং বড় আকারের সোলার পার্ক (যেমন: গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ, ময়মনসিংহ ও ফেনীর সোনাগাজী সোলার প্রজেক্ট) এবং শিল্পকারখানার ছাদে নেট মিটারিং রুফটপ সোলার স্থাপনের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে।
২. বায়ুশক্তি (Wind Energy): বাংলাদেশের ৭২০ কিলোমিটার দীর্ঘ উপকূলীয় অঞ্চলে (বিশেষ করে কক্সবাজার, কুতুবদিয়া, পটুয়াখালী ও মোংলা) বায়ুবিদ্যুৎ উৎপাদনের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে। ইতোমধ্যে কক্সবাজারে দেশের বৃহত্তম বায়ুবিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু হয়েছে।
৩. বায়োমাস ও বায়োগ্যাস: কৃষিপ্রধান দেশ হওয়ায় ধানের তুষ, কৃষিজ বর্জ্য এবং পশুপালনের বর্জ্য থেকে বায়োগ্যাস ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে।
৪. বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ (Waste to Energy): ঢাকা ও বড় সিটি কর্পোরেশনগুলোর বর্জ্য ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা জ্বালানি নিরাপত্তার পাশাপাশি পরিবেশ দূষণ রোধেও কার্যকর ভূমিকা রাখবে।