সুপার রিভিশন: সর্বাধিক রিপিট প্রশ্ন ভাণ্ডার
বিসিএস, প্রাইমারি, শিক্ষক নিবন্ধন, ব্যাংক ও মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পরীক্ষায় বারবার আসা প্রশ্ন এবং অনুরূপ প্রশ্নের বিষয়ভিত্তিক সংকলন।
💡 রিভিশন টিপস ও গাইডলাইন টিপস পড়ুন
১. Migratory Pain: ব্যথা প্রথমে নাভির চারপাশে (Periumbilical region) শুরু হয় এবং কয়েক ঘণ্টা পর পেটের ডান দিকের নিচের অংশে (Right Iliac Fossa - McBurney's point) স্থায়ী হয়।
২. Anorexia (ক্ষুধামন্দা), বমি বমি ভাব ও ১-২ বার বমি হওয়া।
৩. হালকা জ্বর (Low-grade fever)।
৪. শারীরিক পরীক্ষার লক্ষণ (Signs): McBurney's point tenderness, Rebound tenderness (Blumberg sign), Rovsing's sign, Psoas sign ও Obturator sign পজিটিভ হওয়া এবং পেটের মাংসপেশি শক্ত হয়ে যাওয়া (Guarding/Rigidity)।
চিকিৎসা (Treatment):
১. প্রাক-অপারেশন প্রস্তুতি (Pre-operative resuscitation):
- রোগীকে মুখে খাবার বন্ধ রাখা (Nil per oral - NPO)।
- শিরাপথে স্যালাইন (IV fluids) প্রদান।
- ব্রড-স্পেকট্রাম অ্যান্টিবায়োটিক (যেমন: Ceftriaxone + Metronidazole) এবং ব্যথানাশক (Analgesics) প্রদান।
২. নির্দিষ্ট শৈল্যচিকিৎসা (Definitive Treatment):
- জরুরি ভিত্তিতে অপারেশনের মাধ্যমে অ্যাপেন্ডিক্স অপসারণ করা—Emergency Appendicectomy (Laparoscopic অথবা Open পদ্ধতিতে)।
- যদি Appendicular lump তৈরি হয়, তবে প্রথমে Ochsner-Sherren regimen অনুযায়ী কনজারভেটিভ চিকিৎসা দেওয়া এবং ৬ সপ্তাহ পর Interval Appendicectomy করা।
গর্ভধারণের পর থেকে প্রসবের পূর্ব পর্যন্ত একজন গর্ভবতী মা ও তার গর্ভস্থ শিশুর সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, পরামর্শ ও চিকিৎসা প্রদানের সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাকে Antenatal care বলে।
নিরাপদ মাতৃত্বের ক্ষেত্রে Antenatal care-এর গুরুত্ব:
১. ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভধারণ (High-risk pregnancy) যেমন: প্রি-একলাম্পসিয়া, গর্ভকালীন ডায়াবেটিস, প্লাসেন্টা প্রিভিয়া ইত্যাদি দ্রুত শনাক্ত ও ব্যবস্থাপনা করা।
২. গর্ভকালীন রক্তস্বল্পতা ও অপুষ্টি রোধে আয়রন, ফলিক অ্যাসিড ও ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট প্রদান এবং সুষম খাদ্যের পরামর্শ দেওয়া।
৩. টিটেনাস (TT) টিকা প্রদানের মাধ্যমে মা ও নবজাতককে ধনুষ্টঙ্কার থেকে রক্ষা করা।
৪. গর্ভস্থ শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও অবস্থান পর্যবেক্ষণ করা।
৫. মা ও পরিবারকে গর্ভকালীন বিপদচিহ্নসমূহ সম্পর্কে সচেতন করা এবং নিরাপদ ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রসবের (Safe delivery) প্রস্তুতি গ্রহণে সহায়তা করে মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যুর হার হ্রাস করা।
১. Clinical History: বুকের মাঝখানে তীব্র চাপবাঁধা বা নিষ্পেষণকারী ব্যথা যা বাম হাত, চোয়াল বা পিঠে ছড়িয়ে পড়ে এবং সাথে অতিরিক্ত ঘাম ও শ্বাসকষ্ট থাকে।
২. ECG Changes: ST-segment elevation (STEMI), নতুন LBBB, অথবা ST-segment depression ও T-wave inversion (NSTEMI), এবং পরবর্তীতে Pathological Q wave.
৩. Cardiac Biomarkers: রক্তে Troponin-I বা Troponin-T এবং CK-MB এর মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়া।
Immediate চিকিৎসা (প্রাথমিক জরুরি ব্যবস্থাপনা - MONA প্রটোকল):
১. রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে (CCU-তে) ভর্তি, সম্পূর্ণ বিশ্রাম ও IV cannula স্থাপন।
২. Oxygen: অক্সিজেন স্যাচুরেশন ($\text{SpO}_2$) ৯৪% এর কম হলে অক্সিজেন প্রদান।
৩. Antiplatelet therapy: Loading dose হিসেবে Aspirin (300 mg চিবিয়ে খাওয়া) এবং Clopidogrel (300-600 mg) বা Ticagrelor (180 mg) প্রদান।
৪. Nitrates: ব্যথা কমাতে জিহ্বার নিচে Sublingual Glyceryl Trinitrate (GTN) স্প্রে বা ট্যাবলেট (রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকলে)।
৫. Analgesia: তীব্র ব্যথা ও অস্থিরতা কমাতে IV Morphine (5-10 mg) বা Pethidine এবং সাথে একটি Anti-emetic (যেমন: Metoclopramide) প্রদান।
৬. Reperfusion therapy ও অন্যান্য: STEMI হলে দ্রুত Primary PCI (Angioplasty) অথবা Thrombolysis (Streptokinase/Tenecteplase) করা, এবং উচ্চ ডোজের Statin (Atorvastatin 80 mg), Anticoagulant (Enoxaparin) ও Beta-blocker শুরু করা।
১. জ্বর শুরুর সাধারণত ৩ থেকে ৪ দিন পর শরীরে Maculopapular erythematous rash দেখা দেয়।
২. এটি প্রথমে কানের পেছনে (Behind the ears) এবং কপালের চুলের রেখা বরাবর শুরু হয়, এরপর মুখমণ্ডল, ঘাড়, বুক-পেট (Trunk) এবং সবশেষে হাত-পায়ে ছড়িয়ে পড়ে।
৩. র্যাশগুলো একত্রে মিশে যেতে পারে (Confluent) এবং সেরে যাওয়ার সময় চামড়ায় বাদামী দাগ (Brownish staining) ও সূক্ষ্ম খোসা (Fine desquamation) দেখা যায়। (এছাড়া র্যাশ ওঠার আগে গালের ভেতরের মিউকোসায় Koplik's spots দেখা যায়)।
Measles-এর Complication (জটিলতাসমূহ):
১. Otitis media (মধ্যকর্ণের প্রদাহ - সবচেয়ে সাধারণ জটিলতা)।
২. Bronchopneumonia ও Croup (Laryngotracheobronchitis)।
৩. ডায়রিয়া ও মারাত্মক অপুষ্টি (PEM)।
৪. ভিটামিন-এ এর অভাবে Keratomalacia ও কর্নিয়ার আলসার (অন্ধত্ব)।
৫. স্নায়বিক জটিলতা: Acute post-infectious encephalitis এবং পরবর্তীতে Subacute Sclerosing Panencephalitis (SSPE)।
১. বাণিজ্য যুদ্ধ (Trade War): চীন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, কানাডা ও মেক্সিকো পাল্টা শুল্ক আরোপ করলে বৈশ্বিক বাণিজ্য যুদ্ধ তীব্রতর হবে।
২. সাপ্লাই চেইন বিঘ্নিত হওয়া: বিশ্বব্যাপী উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থা (Supply Chain) বাধাগ্রস্ত হবে এবং বহুজাতিক কোম্পানিগুলো কারখানা স্থানান্তরে বাধ্য হবে।
৩. বৈশ্বিক মুদ্রাস্ফীতি: আমদানিকৃত পণ্যের দাম বাড়লে বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পাবে এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি মন্থর হয়ে পড়বে।
৪. উন্নয়নশীল দেশের ওপর প্রভাব: চীনের ওপর অতিরিক্ত শুল্কের ফলে তৈরি পোশাকের মতো খাতে বাংলাদেশের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি বৃদ্ধির কিছু সুযোগ তৈরি হলেও, সার্বিক বৈশ্বিক মন্দা ও কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধির ঝুঁকিও বাড়বে।
২. ঝাঁকের কই (একই দলের লোক বা সমস্বভাবের লোক): ওরা সবাই ঝাঁকের কই, তাই একজনের দুর্নীতির বিরুদ্ধে অন্যজন কখনো কথা বলবে না।
৩. ধামাধরা (তোষামোদকারী): সমাজে ধামাধরা লোকের অভাব নেই, কিন্তু বিপদের সময় প্রকৃত বন্ধু পাওয়া কঠিন।