সুপার রিভিশন: সর্বাধিক রিপিট প্রশ্ন ভাণ্ডার
বিসিএস, প্রাইমারি, শিক্ষক নিবন্ধন, ব্যাংক ও মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পরীক্ষায় বারবার আসা প্রশ্ন এবং অনুরূপ প্রশ্নের বিষয়ভিত্তিক সংকলন।
💡 রিভিশন টিপস ও গাইডলাইন টিপস পড়ুন
💡 বিস্তারিত ব্যাখ্যা ও শর্টকাট নোট ▼
The word 'essential' (অপরিহার্য/প্রয়োজনীয়) এর সমার্থক শব্দ হলো 'Vital' (খুব গুরুত্বপূর্ণ বা অপরিহার্য)।
💡 বিস্তারিত ব্যাখ্যা ও শর্টকাট নোট ▼
বাংলাদেশে বর্তমানে মোট থানার সংখ্যা ৬৩৯টি। সাম্প্রতিক প্রশাসনিক পুনর্গঠন ও নতুন থানা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এই সংখ্যা নির্ধারিত হয়েছে।
💡 বিস্তারিত ব্যাখ্যা ও শর্টকাট নোট ▼
সঠিক উত্তর 'ইতি'। 'ইতি' একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ। অন্যদিকে প্রতি, অতি এবং অধি হলো তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ।
💡 বিস্তারিত ব্যাখ্যা ও শর্টকাট নোট ▼
'তিমির' একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যার আক্ষরিক অর্থ হলো অন্ধকার বা তমসা। বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ হিসেবে এটি প্রায়ই আসে।
💡 বিস্তারিত ব্যাখ্যা ও শর্টকাট নোট ▼
বাক্যের শুরুতে Subject হিসেবে Infinitive (To + verb) অথবা Gerund (verb + ing) ব্যবহৃত হতে পারে। অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক ও মানসম্মত গঠন হলো 'To help'।
💡 বিস্তারিত ব্যাখ্যা ও শর্টকাট নোট ▼
'লাউ' শব্দটিতে দ্বিস্বরধ্বনি (যৌগিক স্বরধ্বনি বা সান্ধ্যক্ষর) রয়েছে। 'লাউ' উচ্চারণ করতে গিয়ে 'ল + আ + উ' অর্থাৎ 'আউ' নামক দ্বিস্বরধ্বনি পাওয়া যায়। বাংলা ভাষায় যৌগিক স্বরধ্বনি জ্ঞাপক বর্ণ দুটি হলো 'ঐ' ও 'ঔ', তবে উচ্চারণে এ রকম অনেক দ্বিস্বরধ্বনি রয়েছে।
💡 বিস্তারিত ব্যাখ্যা ও শর্টকাট নোট ▼
'শিক্ষককে বুঝতে হবে শিক্ষার্থী কী চায়'—এই বাক্যে 'শিক্ষক' ও 'শিক্ষার্থী' শব্দ দুটি এককভাবে নির্দিষ্ট কোনো একজন শিক্ষক বা শিক্ষার্থীকে না বুঝিয়ে জাতি বা শ্রেণিবাচক অর্থে একবচন ও বহুবচন উভয়ই (বা সার্বিক অর্থে সাধারণ শ্রেণি) প্রকাশ করেছে। অর্থাৎ, এখানে নির্দিষ্ট কোনো একজন শিক্ষক বা শিক্ষার্থীকে না বুঝিয়ে সমগ্র শিক্ষক ও শিক্ষার্থী সমাজকে বোঝানো হয়েছে, যা প্রসঙ্গভেদে উভয় বচনকেই নির্দেশ করে।
💡 বিস্তারিত ব্যাখ্যা ও শর্টকাট নোট ▼
আহমদ শরীফ ছিলেন একজন প্রখ্যাত সাহিত্য সমালোচক ও গবেষক। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে 'চণ্ডীদাস' নামে একাধিক কবির অস্তিত্ব নিয়ে দীর্ঘকাল ধরে বিতর্ক চলে আসছে, যা 'চণ্ডীদাস সমস্যা' নামে পরিচিত। আহমদ শরীফ তাঁর গবেষণায় এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, 'চণ্ডীদাস' নামে মোট তিনজন কবি ছিলেন।
তিনি এই তিনজনকে চিহ্নিত করেন:
- বড়ু চণ্ডীদাস: 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যের রচয়িতা।
- দীন চণ্ডীদাস: পদাবলীর রচয়িতা, যার পদে সহজিয়া মতবাদের প্রভাব দেখা যায়।
- দ্বিজ চণ্ডীদাস: পদাবলীর রচয়িতা, যার পদে 'দ্বিজ চণ্ডীদাস' ভণিতা পাওয়া যায়।
বিভিন্ন চণ্ডীদাসের রচনার ভাষা, ভাব ও শৈলীর ভিন্নতা বিশ্লেষণ করে আহমদ শরীফ এই তিনজনের স্বতন্ত্র অস্তিত্ব প্রমাণ করেন। তাই সঠিক উত্তর হলো 'খ' অর্থাৎ ৩ জন।