চাকরির পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান
বিসিএস, ব্যাংক, শিক্ষক নিয়োগ ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিগত পরীক্ষার নির্ভুল সমাধান ও প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক প্রশ্ন আর্কাইভ।
বিষয় ও অধ্যায় ভিত্তিক প্রশ্নব্যাংক
বিষয় ও নির্দিষ্ট অধ্যায় ভিত্তিক বিগত বিসিএস, ব্যাংক ও সরকারি নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান পড়ুন
'পরিবেশগত ভারসাম্যের জন্য চাই বৃক্ষরোপণ' - শিরোনামে একটি প্রতিবেদন লিখুন। [মেডিকেল অফিসার - সরকারি কর্মচারী হাসপাতাল ২০২৬]
বরাবর,
সম্পাদক,
দৈনিক প্রথম আলো, ঢাকা।
বিষয়: প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য আবেদন।
মহোদয়,
আপনার বহুল প্রচারিত পত্রিকায় 'পরিবেশগত ভারসাম্যের জন্য চাই বৃক্ষরোপণ' শীর্ষক প্রতিবেদনটি প্রকাশের অনুরোধ জানাচ্ছি।
পরিবেশগত ভারসাম্যের জন্য চাই বৃক্ষরোপণ
নিজস্ব প্রতিবেদক: বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তন ও উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশ আজ চরম হুমকির সম্মুখীন। নির্বিচারে বৃক্ষনিধন ও বনভূমি উজাড় করার ফলে দেশে মরুকরণ প্রক্রিয়া, অনাবৃষ্টি, অতিবৃষ্টি এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রকোপ আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
একটি দেশের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার জন্য মোট আয়তনের অন্তত ২৫ শতাংশ বনভূমি থাকা আবশ্যক। কিন্তু বাংলাদেশে এর পরিমাণ চাহিদার তুলনায় অনেক কম। বৃক্ষ কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করে এবং অক্সিজেন সরবরাহ করে পরিবেশকে শীতল ও বাসযোগ্য রাখে। এছাড়া মাটির ক্ষয়রোধ ও ঝড়-জলোচ্ছ্বাস প্রতিরোধে বৃক্ষ ঢাল হিসেবে কাজ করে।
পরিবেশ বিপর্যয় থেকে দেশকে রক্ষা করতে হলে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে দেশব্যাপী ব্যাপক বনায়ন কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে। উপকূলীয় অঞ্চল, রাস্তার দুপাশ ও পতিত জমিতে প্রচুর পরিমাণে ফলদ, বনজ ও ভেষজ বৃক্ষরোপণ এবং সেগুলোর সঠিক পরিচর্যা নিশ্চিত করার মাধ্যমেই পরিবেশের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনা সম্ভব।
প্রতিবেদকের নাম: ক
ঠিকানা: ঢাকা।
জলহারা মেঘখানি বরষার শেষে
পড়ে আছে গগনের এক কোণ ঘেঁষে।
বর্ষাপূর্ণ সরোবর তারি দশা দেখে
সারাদিন ঝিকিমিকি হাসে থেকে থেকে
কহে, "ওটা লক্ষ্মীছাড়া, চালচুলাহীন
নিজেরে নিঃশেষ করি, কোথায় বিলীন।
আমি দেখো চিরকাল থাকি জল ভরা
সরোবর, সুগভীর নাই নড়াচড়া"
মেঘ কহে, "ওহে বাপু, কোরো না গরব-
তোমার পূর্ণতা সে যে আমারই গৌরব"
[মেডিকেল অফিসার - সরকারি কর্মচারী হাসপাতাল ২০২৬]
রচনা লিখুন: "বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প: সমস্যা ও সম্ভাবনা" [মেডিকেল অফিসার - সরকারি কর্মচারী হাসপাতাল ২০২৬]
পর্যটন খাতের সম্ভাবনা: কক্সবাজারের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত, ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন, পার্বত্য চট্টগ্রামের নৈসর্গিক দৃশ্য এবং সিলেটের চা বাগান দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ করে। এ খাতের সঠিক বিকাশ ঘটলে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন ও ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি সম্ভব।
সমস্যাসমূহ: উন্নত যোগাযোগ ও অবকাঠামোর অভাব, পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ঘাটতি, দক্ষ গাইডের অভাব, আন্তর্জাতিক মানের বিনোদন ব্যবস্থার অভাব এবং বিশ্বদরবারে সঠিক প্রচারণার ঘাটতি এ শিল্পের প্রধান অন্তরায়।
সম্ভাবনা বাস্তবায়নে করণীয়: পর্যটন কেন্দ্রগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন, পর্যটকদের শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, ইকো-ট্যুরিজম গড়ে তোলা এবং ডিজিটাল মাধ্যমে আন্তর্জাতিক প্রচারণা বাড়ানো জরুরি।
উপসংহার: সরকারি ও বেসরকারি সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে সমস্যাগুলো সমাধান করতে পারলে বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তিতে পরিণত হবে।