সুপার রিভিশন: সর্বাধিক রিপিট প্রশ্ন ভাণ্ডার
বিসিএস, প্রাইমারি, শিক্ষক নিবন্ধন, ব্যাংক ও মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পরীক্ষায় বারবার আসা প্রশ্ন এবং অনুরূপ প্রশ্নের বিষয়ভিত্তিক সংকলন।
💡 রিভিশন টিপস ও গাইডলাইন টিপস পড়ুন
১. কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি থেকে শিল্প ও সেবাখাতনির্ভর অর্থনীতিতে রূপান্তর।
২. দারিদ্র্যের হার হ্রাস এবং মাথাপিছু আয় ও ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি।
৩. উন্নত ভৌত অবকাঠামো, শিক্ষার হার বৃদ্ধি এবং গড় আয়ু বৃদ্ধি।
মধ্যম আয়ের দেশ (এবং এলডিসি উত্তরণ পরবর্তী) হিসেবে বাংলাদেশের সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ বা সমস্যাসমূহ:
১. শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা হ্রাস: ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ উন্নত দেশগুলোতে তৈরি পোশাক ও অন্যান্য পণ্যের শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত (DFQF) বা জিএসপি সুবিধা হারানোর ঝুঁকি তৈরি হবে, ফলে রপ্তানি খাতে প্রতিযোগিতা বাড়বে।
২. সহজ শর্তে ঋণ প্রাপ্তি হ্রাস: বৈদেশিক অনুদান এবং বিশ্বব্যাংক বা এডিবির কাছ থেকে স্বল্প সুদে বা নমনীয় শর্তে (Concessional loan) ঋণ পাওয়ার সুযোগ কমে যাবে; বাণিজ্যিক হারে ঋণ নিতে হবে।
৩. মেধাস্বত্ব (TRIPS) ছাড় বাতিল: ওষুধ শিল্পে পেটেন্ট বা মেধাস্বত্ব আইনের কঠোরতা কার্যকর হলে দেশে ওষুধের উৎপাদন খরচ বাড়তে পারে।
৪. মধ্যম আয়ের ফাঁদ (Middle Income Trap): দক্ষ মানবসম্পদ ও প্রযুক্তির উদ্ভাবন ঘটাতে না পারলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি স্থবির হয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকে।
সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে করণীয় পদক্ষেপসমূহ:
১. আইনের কঠোর প্রয়োগ: 'সড়ক পরিবহন আইন'-এর যথাযথ ও নিরপেক্ষ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।
২. দক্ষ চালক তৈরি: ভুয়া লাইসেন্স প্রদান বন্ধ করে প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ চালক তৈরি এবং চালকদের নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা ও বিশ্রাম নিশ্চিত করা।
৩. যানবাহনের ফিটনেস ও গতি নিয়ন্ত্রণ: মেয়াদোত্তীর্ণ ও ফিটনেসবিহীন যানবাহন সড়ক থেকে অপসারণ এবং মহাসড়কে স্পিডগান ও সিসিটিভির মাধ্যমে গতি নিয়ন্ত্রণ করা।
৪. সড়ক অবকাঠামোর উন্নয়ন: মহাসড়কগুলোকে ডিভাইডারসহ চার বা ছয় লেনে উন্নীত করা, বিপজ্জনক বাঁক সোজা করা এবং ধীরগতির যানবাহনের জন্য আলাদা সার্ভিস লেন তৈরি করা।
৫. জনসচেতনতা বৃদ্ধি: পথচারীদের ফুটওভার ব্রিজ ও জেব্রা ক্রসিং ব্যবহারে বাধ্য করা এবং ট্রাফিক আইন মেনে চলার বিষয়ে ব্যাপক জনসচেতনতা গড়ে তোলা।