সুপার রিভিশন: সর্বাধিক রিপিট প্রশ্ন ভাণ্ডার
বিসিএস, প্রাইমারি, শিক্ষক নিবন্ধন, ব্যাংক ও মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পরীক্ষায় বারবার আসা প্রশ্ন এবং অনুরূপ প্রশ্নের বিষয়ভিত্তিক সংকলন।
💡 রিভিশন টিপস ও গাইডলাইন টিপস পড়ুন
১. স্নায়বিক কারণ (Neurological causes):
- Cerebrovascular Accident (Stroke - Ischemic বা Intracerebral Hemorrhage, Subarachnoid Hemorrhage)
- মস্তিষ্কে আঘাত (Head Injury / Subdural Hematoma)
- কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের সংক্রমণ (Meningitis, Encephalitis)
- Status Epilepticus.
২. মেটাবলিক ও এন্ডোক্রাইন কারণ (Metabolic & Endocrine causes):
- Hypoglycemia (সবচেয়ে জরুরি ও সাধারণ কারণ)
- Diabetic Ketoacidosis (DKA) বা Hyperosmolar Hyperglycemic State (HHS)
- Electrolyte imbalance (Severe Hyponatremia)
- Hepatic Encephalopathy বা Uraemic Encephalopathy.
৩. কার্ডিওভাসকুলার ও শ্বাসতন্ত্রের কারণ:
- Myocardial Infarction বা Cardiac Arrest জনিত Cerebral Hypoxia
- Hypercapnic respiratory failure (যেমন: Severe COPD).
৪. বিষক্রিয়া ও ওভারডোজ (Toxic/Drug causes):
- Sedatives/Benzodiazepine overdose (অজ্ঞান করে ছিনতাই বা 'মলম পার্টি'র শিকার), Opioid বা OPC poisoning, Alcohol intoxication.
অচলাবস্থা নিরসনে করণীয় উদ্যোগসমূহ:
১. মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA) চূড়ান্তকরণ: সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বাণিজ্য বাড়াতে দীর্ঘদিন ঝুলে থাকা বিমসটেক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি দ্রুত বাস্তবায়ন করা।
২. কানেক্টিভিটি বৃদ্ধি: বিমসটেক মাস্টার প্ল্যানের আওতায় সড়ক, রেল ও সমুদ্রপথে (Coastal Shipping) নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ স্থাপন করা।
৩. নিয়মিত শীর্ষ সম্মেলন: নির্ধারিত সময়ে শীর্ষ সম্মেলন ও মন্ত্রীপর্যায়ের বৈঠক আয়োজন করে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করা।
৪. মিয়ানমার সংকট ও অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা: সদস্য দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ সংকট ও রোহিঙ্গা সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধানের মাধ্যমে পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধি করা এবং ঢাকায় অবস্থিত বিমসটেক সচিবালয়কে আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে আরও শক্তিশালী করা।
চীনের ভূমিকা: মিয়ানমারের সাথে চীনের গভীর অর্থনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। চীন বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় আলোচনার মাধ্যমে প্রত্যাবাসন উদ্যোগের মধ্যস্থতা করেছে, তবে রাখাইনে নিজেদের কৌশলগত স্বার্থের কারণে মিয়ানমারের ওপর কঠোর চাপ প্রয়োগ থেকে বিরত থেকেছে।
ভারতের ভূমিকা: ভারত মানবিক সহায়তা ('অপারেশন ইনসানিয়াত') প্রদান করলেও মিয়ানমারে নিজেদের 'অ্যাক্ট ইস্ট পলিসি' ও কালাদান প্রকল্পের স্বার্থে কৌশলী ও ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান বজায় রেখেছে।
জাতিসংঘের ভূমিকা: জাতিসংঘ শুরু থেকেই মানবিক সহায়তা প্রদান, মানবাধিকার লঙ্ঘনের তদন্ত এবং আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (ICJ) মিয়ানমারের বিচার প্রক্রিয়ায় সহায়তা করছে। তবে নিরাপত্তা পরিষদে পরাশক্তিগুলোর ভেটো ক্ষমতার কারণে জাতিসংঘ মিয়ানমারের ওপর কার্যকর কোনো বাধ্যবাধকতা আরোপ করতে পারেনি।